ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ার সরকার রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এজন্য বাংলাদেশ প্রশংসা পাওয়ার দাবিদার।’ 

আজ রোববার কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জোকো উইদোদো।  এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দেশটির ফার্স্ট লেডি ইরিয়ান জোকো উইদোদো। 

রোববার দুপুরে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকে চলে যান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। দুপুর আড়াইটায় তিনি উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছান।

এ সময় বেশ কিছু রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর সঙ্গে আলাপ করেন তিনি। তিনি রোহিঙ্গা নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন এবং রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে রাখাইনের সহিংসতার বিবরণ শোনেন। 

প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইনে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।’ এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রশংসা করেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

জোকো উইদোদো বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার সরকার ও জনগণ রোহিঙ্গাদের যথাযথ সহযোগিতা করে যাবে এবং সবসময় রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে।’ 

ইন্দোনেশিয়া সরকার পরিচালিত ফিল্ড হসপিটাল, শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, বিশুদ্ধ পানীয় জলের টিউবওয়েল পরিদর্শন করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের খেলনা সামগ্রী উপহার দেন।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআর