৪ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা খুলে দেয়ার দাবিতে এবার সোয়ান গার্মেন্টস শ্রমিকদের শ্রমমন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে আসে।

এর আগে পর পর দু’বার বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ভবন ঘেরাও করে তারা। দ্বিতীয়বার ঘেরাও করতে আসলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৩ শ্রমিক আহত হয়।

রোববার দুপুরে শ্রমমন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে আসলে সচিবালয়ের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে সেখানে অবস্থান নেয় শ্রমিকেরা। পরে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শ্রমিকদের দাবি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে যায়।

জানা গেছে,রাজধানীর দক্ষিণ খান এলাকার সোয়ান গ্রুপ লিমিটেড গার্মেন্টস কারখানার মালিক (হংকং) টুবি হং ৪ মাসের বেতন না দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দেয়। এমতাবস্থায় গত ১৯ এপ্রিল এক সপ্তাহের সময় চান বিজিএমইএ। বিজিএমইএ তখন বলেছে,আমাদের এক সপ্তাহের সময় দেন। এক সপ্তাহের মধ্যে মালিকপক্ষের সাথে বসে একটা সমাধান করা হবে।

কিন্তু দুই সপ্তাহের অধিক সময় অতিক্রান্ত হলেও এ ব্যাপারে বিজিএমইএ বা মালিক পক্ষ কোনো সমাধান করেনি।

পরে ৪ মে বিজিএমইএ ভবন আবার ঘেরাও করতে আসলে বিজিএমইএ কিছুই করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিলে আজ মন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে আসে শ্রমিকেরা।

শ্রমিকেরা বলেন,আমরা বার বার বিজিএমইএ ভবনে এসে শুধু আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাইনি। শ্রমমন্ত্রণালয়ে এবং মন্ত্রীর বাসায় পর পর দুই বার গিয়েছি। কিন্তু সেখানেও একই আশ্বাস তাই আজ কোনো সমাধান না হলে এখান থেকে যাবো না।

তারা আরো বলেন,আমরা এখনো সবাই বেকার অবস্থায় আছি। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। এদিকে বাড়ি ভাড়া না দিতে পারায় আমাদের বাড়ির মালিক বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছে। এছাড়া বেতন না পেয়ে আমাদের না খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।

শ্রমিকেরা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অতি দ্রুত আমাদের বেতন পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা খুলে না দিলে আমরা রাস্তায় বের হয়ে আরো কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।

এ কর্মসূচিতে গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএ/এসএইচ