শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি ইমাম হাসান-১ নামের একটি লঞ্চ মেঘনা নদীর চিরায়ের চর নামক স্থানে আটকা পড়েছে। এ সময় এই লঞ্চে ৬শতাধিক যাত্রী ছিলো।

বিক্ষুব্ধ লঞ্চ যাত্রীরা এ সময় লঞ্চে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। পরে এমভি ময়ূর-৭ নামের আরেকটি লঞ্চ সন্ধ্যা ৬টায় ইমাম হাসান লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌছেছে বলে জানিয়েছেন বিআইডাব্লিউ কর্তৃপক্ষ।

লঞ্চের যাত্রী মঞ্জুর আহমেদ ও কামরুল ইসলাম জানান, যাত্রীবাহী লঞ্চ ইমাম হাসান প্রায় ৬ শতাধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা সদরঘাট থেকে সকাল সাড়ে ১১ টায় চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।

চাঁদপুর পৌঁছার ১ ঘণ্টার পূর্বে লঞ্চটি অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও নদীতে প্রচন্ড ঢেউ এর আঘাতে কাত হয়ে যায়।

এ সময় যাত্রীদের চিৎকারে চালক লঞ্চটিকে নদীর তীরে ভিড়াতে গিয়ে চিরায়েরচর নামক চরে আটকে দেন।

এ সময় লঞ্চে থাকা বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা লঞ্চে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এতে লঞ্চের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়।

লঞ্চের চাঁদপুরস্থ মালিক প্রতিনিধি আলী আজগর সরকার জানান, প্রচন্ড ঢেউয়ের কারণে যাত্রীরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে লঞ্চটিকে চরে ভিড়াতে বলে।

এতে করে লঞ্চটি চরে আটকা পড়ে। যাত্রীদের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। তবে কিছু উশৃঙ্খল যাত্রী লঞ্চে ভাংচুর চালিয়ে ক্ষতিসাধন করে।

চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আটকা পড়া লঞ্চটির যাত্রীদের উদ্ধারের জন্য এমভি ময়ূর-৭ লঞ্চ ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদে আনার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এসএইচ