কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হিসাবরক্ষন অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষ ছাড়া এ অফিসে কোন কাজ হয়না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা ও অডিটর নিয়মিত অফিসে আসেননা বলে জানা গেছে।

জানা যায়, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সিনিয়র নার্স সায়েদা খাতুনের পেনশন নিতে হিসাবরক্ষন অফিসে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।

একইভাবে দৌলতপুর এলজিইডি অফিসের সিও মৃত আব্দুস সালামের পেনশন বাবদ ১০ হাজার টাকা এবং একই অফিসের পিয়ন মৃত কোহিনুর খাতুনের পেনশন বাবদ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এছাড়া সম্প্রতি সরকারী হওয়া বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ ৬০ হাজার টাকা বিনিময়ে করা হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের এফডবি¬উএ রেহেনা খাতুনের উন্নীত স্কেলের বেতন দীর্ঘ ১০/১১ বছর পর অনিয়মিত ভাবে প্রশাসনিক অনুমোদন ব্যাতিত ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাজেট বরাদ্ধ ছাড়াই পরিশোধ করা হয়েছে।

অথচ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ১ বছরের বকেয়া বেতন প্রদান করতে পারে। এছাড়া দৌলতপুর হাসপাতালের এনএসআর এর বিল সমুহ সহ বিভিন্ন বিল ১০% কমিশন নিয়ে তা অনুমোদন করা হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা আবুল কাশেম জানান, অডিটর সাহেব ভাল বলতে পারবেন।

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ