এখনো জুলাই মাসের বেতন পরিশোধ করে নি প্রায় ৬০ শতাংশ গার্মেন্টস । অন্যদিকে প্রায় ২০ শতাংশ গার্মেন্টস পরিশোধ করে নি ঈদ বোনাস। শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
আগামীকাল শনিবারের মধ্যে গার্মেন্টস কারখানায় ঈদ বোনাস ও জুলাইয়ের বেতন পরিশোধের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে শ্রম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। অবশ্য পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানার মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ কারখানার শ্রমিকদের উৎসব বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাকি ৫ শতাংশ কারখানার বোনাস আগামীকালের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। একইভাবে জুলাইয়ের বেতনও আগামীকালের মধ্যে পরিশোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে পোশাক শিল্প মালিকদের আরেক সংগঠন বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোতে গতকাল পর্যন্ত ৯২ শতাংশ কারখানা বোনাসের অর্থ পরিশোধ করেছে বলে জানানো হয়েছে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবার কারখানাগুলোতে বেতন-ভাতা পরিশোধের পরিস্থিতি সন্তোষজনক। কোনো অসন্তোষের আশঙ্কা নেই।
এদিকে দুই মাসের বকেয়া পাওনা ও ঈদ বোনাসের দাবিতে গাজীপুরের তিন সড়ক এলাকায় স্টাইল ক্রাফট নামের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছে।
দাবি আদায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানায় ভাঙচুর, বিক্ষোভ এবং সড়ক অবরোধ করে রেখেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ।
শ্রমিকরা জানায়, স্টাইল ক্রাফট কারখানার কয়েক হাজার শ্রমিকের দুই মাসের বেতন বকেয়া পাওনা রয়েছে। এছাড়া ঈদ বোনাস রয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ বেতন না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে। এ অবস্থায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আন্দোলনে নামে। তারা কারখানায় বিক্ষোভ মিছিল করে জয়দেবপুর-ঢাকা সড়ক অবরোধ করে রাখে।
পুলিশ জানায়,বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবিতে শ্রমিক আন্দোলন করছে। তারা কারখানায় হামলা চালিয়ে কাঁচ এবং অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার বেতন পরিশোধ ও বোনাসের দাবিতে রাস্তায় অবরোধ করে মিরপুর-১ এর গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এসময় প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জেড





