জেলার গঙ্গাচড়ার তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ৩৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ১৫ হাজার পরিবার। বুধবার রাত থেকে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দী পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা করা হয়নি।

জানা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে বুধবার রাত থেকে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী, চর বাগডহরা, আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান হাজীপাড়া, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চর চিলাখাল, খলাইর চর, চর বিনবিনা, চর মটুকপুর, জেলেপাড়া, ঢাকের চর, কুড়িবিশ্বা, উত্তর কোলকোন্দ মিয়াজিপাড়া, শিংগিমারী বাঁধেরপাড়, গঙ্গাচড়া ইউনয়নের চর ধামুর, মাঝাপাড়া, গান্নারপাড়, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর শংকরদহ, পশ্চিম ইচলী, পূর্ব ইচলী, কলাগাছি, মধ্য ইচলী, জয়রামওঝা, গজঘণ্টা ইউনিয়নের চর ছালাপাক, চর রাজবল্লভ, গাওছিয়া বাজার, মর্নেয়া ইউনিয়নের নিলারপাড়, চর মর্নেয়া, আলাল চর, রমাকান্ত, রামদেব, কামদেব ও ভাঙ্গাগড়াসহ ৩৩টি গ্রামের ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। ভেসে গেছে অসংখ্য পুকুরের মাছ, তলিয়ে গেছে ভুট্টা ক্ষেত।

বৃহস্পতিবার সকালে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি প্রতিনিধি, ইউএনও ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান।

উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘হঠাৎ করে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি হওয়ায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অসংখ্য পরিবার। তাদের সাহায্যার্থে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

জেআই