রংপুর জেলার মিঠাপুকুর, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ ও সাদুলাপুর উপজেলাসহ তিন উপজেলার মধ্যবর্তী ও সীমানা ঘেষা এলাকাবাসীর দীর্ঘ প্রত্যাশিত নলডাঙ্গা ইউনিয়নটি থানায় রূপান্তরের দাবী সম্বলিত প্রস্তাবনাটি অবশেষে জনস্বার্থে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর পূর্বে অনুমোদন দেওয়া হলেও সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ আজও কোন কার্যকরী ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকা বাসির মধ্যে চরম ক্ষোভ লক্ষ্যে করা গেছে।

প্রকাশ, গাইবান্ধা জেলার সাদুলাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নটি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১৩ কি. মি.দুরে শেষ সীমান্তে অবস্থিত। জনগুরুত্বপূর্ণ এ ইউনিয়নটি শিক্ষা দীক্ষায়, ব্যবসা বানিজ্যের দিক থেকে অনেকটা সুপ্রসিদ্ধ ইউনিয়ন হিসাবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে।

ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়নটিতে রয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সহ ডিগ্রী পর্যায়ের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া রয়েছে ব্যাংক, বীমা অফিস, এন,জি,ও সহ অনেক অতীত ঐতিহ্য। সার্বিক দিক থেকে এলাকাটির অনেক গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ায় অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ নলডাঙ্গাকে থানা বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ ধরে অব্যাহত ভাবে মিছিল, সভা, সমাবেশ ও স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে আসছে।

বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে গত অক্টোবর/২০১১ সাদুলাপুর উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় নলডাঙ্গাকে থানা বাস্তবায়নের জন্য ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আলম নান্টু সাদুলাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা, কামারপাড়া, দামোদরপুর এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ও সর্বানন্দ সহ ৫টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে নলডাঙ্গাকে থানা বাস্তবায়নের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

সভায় সার্বিক দিক বিবেচনা করে ও জনস্বার্থে প্রস্তাবটি ব্যাপক আলোচনান্তে বিষয়টি সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ সহ সংশিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

যা পরবর্তী নভেম্বর/২০১১ মাসে উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এর পর অদ্যবধি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থানা বাস্তবায়নের আর কোন কার্যকরি ব্যবস্থা না নেওয়ায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এখন তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে দৈনিক স্থানিয় ও জাতীয় পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলেও তবুও কোন ফল হয়নি।

এসএইচ