সাম্প্রতিক মিয়ানমারের রাখাইন স্টেটে সংগঠিত ঘটনায় বাংলাদেশীরা জড়িত বলে যে দাবি দেশটি করেছে তা কল্পকাহিনী বলে জানানো হয়েছে। কারণ, মিয়ানমারের চেয়ে আমাদের জীবনযাত্রা অনেক উন্নত। তাই সেখানে আমাদের এখানকার কেউ যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

জেলা প্রশাসক বলেন, সীমান্তে মাদক পাচার, অনুপ্রবেশসহ আরো অনেক বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। কথা হয়েছে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থান সংখ্যা নিয়েও।তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে অবস্থান গেড়েছেন এমন প্রমাণ অহরহ রয়েছে, কিন্তু মিয়ানমারে আমাদের কোন বাংলাদেশী আবাস গেড়েছে এমন কোন প্রমাণ তারা দেখাতে পারবে না।  

পূর্ব এবং সাম্প্রতিক সময়ে কী পরিমাণ রোহিঙ্গা এসেছে তা এখন নিশ্চিত করে বলা না যাচ্ছে না। তবে শীঘ্রই এ সংখ্যা নিরুপণের চেষ্টা চলছে বলে প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়েছে। আর পরিদর্শন ও বৈঠকের আলোচনাসহ সব বিষয় এক করে প্রতিনিধিদল শীঘ্রই একটি প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।  
বৈঠকে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি), জেলা পুলিশের প্রতিনিধি, জাতিসংঘ ও অন্যান্য বিদেশি সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা হয়। এতে মায়ানমার সীমান্ত পুলিশের ১২ সদস্য নিহত হয়। এ হামলার জন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের দায়ী করে নির্যাতন চালায় মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের নির্যাতনে শতাধিক রোহিঙ্গা মুসলমান নিহত হয়েছে।

নাজিব