প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মধ্যেই সীমিত আকারে গামেন্টস চালু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলা থেকে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে কর্মস্থলে যেতে ফেরি ও ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটে নোঙর করা দুইটি ফেরিতে প্রায় ৫ হাজার শ্রমজীবী মানুষ পদ্মা পারাপার হয়েছেন। ফেরিতে তিল পরিমাণ ফাঁকা জায়গা ছিল না, গাদাগাদি করেই বিভিন্ন গার্মেন্টেসে কর্মরত শ্রমিকরা শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছান। এরপর বিভিন্ন যানবাহন ও পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে বলে নৌ ও ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, গত দুইদিনের মতো বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে কাঠাঁলবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে দেখা দেয় শ্রমজীবী মানুষের ঢল। কাঠাঁলবাড়ী ঘাট থেকে ছেড়ে আসা রো রো ফেরি বীর শ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গির, ডাম্প ফেরি রামশিং সকাল ১০টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটে নোঙর করে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ টিআই হেলাল উদ্দিন জানান, ফেরি ছাড়াও হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে চড়ে পদ্মা পারাপার হন। তবে ট্রলারগুলো শিমুলিয়া ঘাটে না ভিড়ে অদূরেই পদ্মার চরে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নৌরুটে ৬টি ফেরি সচল রাখা হয়েছে। যানবাহন না থাকলেও শ্রমজীবী মানুষের অতিরিক্ত চাপ থাকায় কয়েকটি ফেরি কাঠাঁলবাড়ী ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে এসেছে। ফেরিতে পারাপার হওয়া যাত্রীরা বেশীরভাগ গার্মেন্টসকর্মী। তবে ফেরির চেয়ে ট্রলারেই গার্মেন্টস শ্রমিকরা পদ্মা পারাপার হচ্ছেন বেশি।

এমবি