শিগগিরই সরকারদলীয় কক্সবাজারের এমপি আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ ১৭ প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চাচ্ছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক সূত্র মতে, দুদকের তদন্ত টিম এমপি বদির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অর্থাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের স্বপক্ষে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ শুরু করেছেন। আর এমপি বদির নামে-বেনামে বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ-সম্পদ এবং সম্পদের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্যই রেকর্ডপত্র চেয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে চিঠি পাঠাচ্ছেন বলে জানা যায়।
দুদকের উপ-পরিচালক মনজুর মোরশেদের নেতৃত্বে ও সহকারি পরিচালক এসএম রফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত টিম এমপি বদির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ , সম্পদের তথ্য গোপন এবং দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছেন।
দুদক গতবছর ২১ আগস্ট এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অর্থাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১০ লাখ ৮৬ হাজার টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা দায়ে করে । বর্তমানেএ মামলায় এমপি বদি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন।
জানা যায়, আসামি এমপি বদির বিরুদ্ধে উল্লেখিত অবৈধ অর্থের চেয়ে বাস্তবে অবৈধ সম্পদের পরিমান আরো অনেক বেশি। তিনি নামে-বেনামে কোথায় কিভাবে অর্থ রেখেছেন সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্যই রেকর্ডপত্র তলব করা হচ্ছে। তবে তদন্তকালে দুদকে তাকে আবার তলব করে জিজ্ঞাসাবদের টার্গেট রয়েছে। এর আগে অনুসন্ধানকালে এবং মামলার আগে তাকে একবার দুদকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিকে গত বছর দুদকের মামলার পর কক্সবাজারে এক অনুষ্ঠানে ওই এলাকার বেশি করদাতার সার্টিফিকেট পেয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে এমপি বদি দুদকের চেয়ারম্যান মো. বদি উজ্জামানকে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি দুদক চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আমি এমপি বদি আর আপনি দুদক চেয়ারম্যান বদি’। ভবিষ্যতে আমার (এমপি বদির) বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত করলে, আপনার দুর্নীতির মুখোশ খুলে দেবো। এর কিছু দিন পরই দুদকের মামলায় এমপি বদিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বেশ কিছু দিন কারাগারে থাকার পর অবশেষে উচ্চ আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।
একে





