চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সরকার-নির্ধারিত পশুর হাটের বাইরেও কমপক্ষে অর্ধশতাধিক স্পটে অবৈধ হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা চলছে। বেশির ভাগ প্রধান সড়কের পাশে এসব অবৈধ হাট বসার কারণে তীব্র যানজটে অসহনীয় দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কোনো ইজারা না থাকায় এসব হাটে চলছে ফ্রি-স্টাইল চাঁদাবাজিও। আর এতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কোরবানি উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীতে স্থায়ী ও অস্থায়ী আটটি পশুর হাটকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু এর বাইরেও মহানগরীতে অবৈধ হাটের সংখ্যা ২০টির বেশি। পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধ এসব হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা চলছে।

মহানগরীর বাইরে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, পটিয়া, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও মিরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায়ও অবৈধ কোরবানির হাটের সংখ্যা আরো কমপক্ষে ৩০টি। বেশির ভাগ জায়গাতেই মূল সড়কে এসব হাট বসিয়ে সৃষ্টি করা হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট। অবৈধ এসব হাটের অধিকাংশের সঙ্গে স্থানীয় সরকারদলীয় লোকজন ও প্রভাবশালীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে সাধারণ মানুষ। তবে পুলিশ বলছে, অবৈধ এসব হাট উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে দুটি স্থায়ী এবং ছয়টি অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দিয়েছে সিটি করপোরেশন। স্থায়ী দুটি হচ্ছে সাগরিকা ও বিবিরহাট। সিটি করপোরেশন অনুমোদিত অস্থায়ী ছয়টি পশুর হাট হলো নগরীর কর্ণফুলী থানাধীন কর্ণফুলী পশুর হাট, বন্দর থানাধীন সল্টগোলা রেলক্রসিং পশুর হাট, ইপিজেড থানাধীন স্টিলমিল পশুর হাট, হালিশহর কমল মহাজন পশুর হাট, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চবিদ্যালয় মাঠ (কাঠগড়) পশুর হাট এবং ডবলমুরিং থানার পোস্তার পাড় অস্থায়ী পশুর হাট।

এছাড়া নগরজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে অস্থায়ী এবং অবৈধ গরু-ছাগলের বাজার। পাড়ায় পাড়ায়ও বসছে এসব বাজার।

জেআই