নীলফামারীর জলঢাকায় মাধ্যমিক স্তরের ৬৭ বান্ডিল ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণীর সরকারী বই বিক্রি করতে গিয়ে স্থানীয় জনগণের কাছে ধরা পড়েন রশিদপুর বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক।

স্থানীয় জনগণের দ্বারা আটককৃত বই গুলো দুইদিন পাহারা দিয়ে রাখার পর অবশেষে বৃহস্পতি বার (১১ই মে) উদ্ধার করে নিয়ে যান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

অভিযোগ উঠছে, উপজেলা রশিদপুর বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। কেনোনা এই প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অধিক চাহিদা দেখিয়ে প্রতি বছরে অতিরিক্ত সরকারি বই নিয়ে পরে তা গোপনে কালো বাজরে বিক্রি করে থাকেন।

এছাডাও তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম, দুর্নীতিরও অনেক অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায, গ্রীস্মকালীন ছুটির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রধান শিক্ষক বইগুলো এতিমখানা মাদ্রাসায় গোপনে সরিয়ে রাখেন এবং গতকাল বইগুলো বিক্রির চেষ্টা করলে স্থানীয় জনগন তা জানতে পেরে আটক করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা- আশরাফ-উদ-জ্জামান সরকার বলেন, ৬৭ বান্ডিল বই জব্দ করে সেগুলো উপজেলার বই সংরক্ষণের জন্য মূল গোডাউনে রাখা হয়েছে।বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বইগুলো তালিকা করে অফিসে নিয়ে আসবার জন্য বলা হয়েছে। তিনি তদন্ত করে রির্পোট দেবার পর সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জেড