নোয়াখালীতে লাকি বেগম (১৬)এক কিশোরীকে হত্যার দায়ে ১জনের ফাঁসি ও ১জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
একই সাথে মামলার অপর এক আসামীকে খালাস দেয়।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারিক শিরিন কবিতা আক্তার এ রায় প্রদান করেন। এদের মধ্যে ফাঁসি আসামী আলমগীর হোসেন পলাতক।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হল- ব্রাক্ষণবাড়িয়া কসবার বাহারহাটা এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪৫),যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী একই এলাকার মোকলেছ হোসেনের ছেলে ফজলু মিয়া (৩৫) এবং একই এলাকার জামাল উদ্দিন (৫৫)কে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর রাতে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর জেলখানা গেইট এলাকার আলমের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরাসহ একদল ডাকাত।
এসময় ওই বাড়িতে বেড়াতে আসা আলমের স্ত্রীর ছোট বোন ও ব্রাক্ষণবাড়িয়ার কসবা এলাকার আলী আজমের মেয়ে লাকি বেগম (১৬)তাদের এলাকার লোকদের চিনে ফেলে। এতে ডাকাতদল লাকী বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
ঘটনায় পরদিন নিহতের ভগ্নিপতি আলম বাদী হয়ে নোয়াখালী সুধারাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফজলু মিয়া ও জামাল উদ্দিনকে আটক করে।
আদালতে দীর্ঘ শুনানী শেষে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে আলমগীর হোসেনকে মৃত্যুদন্ড, ফজলু মিয়াকে যাবজ্জীবন ও জামাল উদ্দিনকে বেকুসুর খালাস দেন। একই সাথে আদালত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আলমগীর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলা পরিচালনা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট কাজী শাহীন ও (এপিপি) অ্যাডভোকেট শহিদ উল্লা।
এসএইচ





