রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে যা পেয়েছে তা ক্ষতিপূরণ নয়, তা এসেছে বিশেষ জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আর্থিক অনুদান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সমন্বয়ক তাসলিমা আক্তার।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে রানা প্লাজা ধসের ২ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের শ্রম আইনের ১৯ ও ১৫০ ধারা মোতাবেক মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ- ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অথচ এ পর্যন্ত রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্থরা যা পেয়েছেন তা ক্ষতিপূরণ নয় বরং জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আর্থিক অনুদান।
তিনি আরও বলেন, আইনীভাবে ক্ষতিপূরণের মাপকাঠিতে নির্ধারিত না হলে শ্রমিকদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করবে এবং পরনির্ভরশীলতার মতো ঘুরে বেড়ানোর অবস্থা তৈরি করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পকে বাঁচাতে হলে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্যই ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া বিষয়ে অসঙ্গতিগুলোকে আইনিভাবে পরিবর্তন করা জরুরী। যাতে করে রানা প্লাজার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
অভিযুক্তদের ছাড়া পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিটই গঠন হয়নি। সম্প্রতি তাজরীনের মালিক দোলোয়ারের জামিনপাওয়া জনগণের সন্দেহকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই আমাদের আশঙ্কা জাগে, তাহলে কিসোহেল রানাসহ বাকি মালিকরাও এভাবে বেড়িয়ে পড়বে? তাহলে দেশে আইনের শাসন-সরকার-রাষ্ট্রের ওপর জনগণ কেন আস্থা রাখবে।
গোলটেবিল আলোচনা য় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য সচিব জুলহাস নাঈম বাবু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আহমেদ জাতীয় তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনুমোহাম্মদ, কামাল, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বসু প্রমুখ।
এমএ, জেএ





