শেরপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে পানিবৃদ্ধির ফলে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে শেরপুর-জামালপুর সড়কের পোড়ার দোকান কজওয়ে।
শনিবার বিকেলে থেকে জামালপুর, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের সাথে শেরপুরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের ব্রহ্মপুত্র সেতু পয়েন্টে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উজান থেকে আসা পানিতে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, দশানি, মৃগীসহ জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এতে ব্রহ্মপুত্র নদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পুরনো ভাঙা অংশগুলো প্রবলবেগে বন্যার পানি চরাঞ্চলে প্রবেশ করায় শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি, লছমনপুর, কামারেরচর, বেতমারি-ঘুঘুরাকান্দি, চরমুচারিয়া, লছমনপুর সহ ৬ ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার কাঁচা রাস্তা-ঘাট, ফসল ও বিভিন্ন সবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
বন্যাকবলিত এলাকার অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করায় শিশুদের নিরাপত্তার কারণে সে সব বিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
এমবি





