বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এসএম রাগিব সামাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, দুবাই থেকে ঢাকামুখী ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ঢাকায় অবতরণ সম্ভব না হওয়ায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অন্যদিকে, চীনের গুয়াংজু থেকে আসা চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এছাড়া আবুধাবি থেকে আগত ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, শারজাহ থেকে এয়ার অ্যারাবিয়া, দুবাই থেকে এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট, মদিনা ও সৈয়দপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের জেদ্দা ও চট্টগ্রাম ফ্লাইট এবং মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটসহ অর্ধশতাধিক উড়োজাহাজ আকাশে চক্কর দিয়ে দেরিতে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত শনিবার রাতভর ভারী বৃষ্টি এবং সকালে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় উড়োজাহাজের অবতরণ ও উড্ডয়নে জটিলতা তৈরি হয়। পাশাপাশি বাতাসের প্রভাবও ছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি ফ্লাইট বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয় এবং অনেক ফ্লাইটের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

এদিকে, বিদেশ থেকে আগত ফ্লাইটের প্রভাব পড়ে সার্বিক ফ্লাইট পরিচালনায়। সকাল থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট দেরিতে অবতরণ করায় ঢাকায় অনেক যাত্রী অপেক্ষমাণ ছিলেন। এতে বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ে।

এমএম