প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায়। ‘দেশের জন্য কখন, কী প্রয়োজন সে সম্পর্কে আমরা ভালোভাবে জানি এবং আমরা সে অনুযায়ী একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চাই।’
তিনি বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন একটা চমৎকার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে। তিনি ১৯৭৪ সালে আমাদের প্রতিরক্ষা নীতিমালা দিয়ে গেছেন। তারই আলোকে আমরা ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে এগিয়ে যাচ্ছি।
আজ রোববার সকালে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। সামরিক বাহিনীর কমান্ড ও স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন কারীদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিবর্তনশীল বিশ্বে পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করা হচ্ছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ট্রেনিং এবং সমরাস্ত্র সম্পর্কে আমরা যথেষ্ট সচেতন এবং আমাদের সীমিত সম্পদ দিয়ে আমরা সেটা জোগাড় করে দিচ্ছি এবং তৈরি করছি।
স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রেখে যেকোনো ত্যাগস্বীকারে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি। এসময় তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দীর বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ। ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সে ৮৫ জন এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সে ৩৮ জন অংশগ্রহণ করেন। এসব প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
চীন, মিসর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, মালয়েশিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, তানজানিয়া, যুক্তরাজ্য, মালি, নাইজার এবং বাংলাদেশের প্রশিক্ষণার্থীরা ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সে অংশ নেন।
এমএম





