উত্তরবঙ্গের অন্যতম সংযোগস্থল টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন জমে উঠেছে।

আগামী ১৩ মার্চ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা। প্রার্থীরা ভোটারদের ভোট ও সমর্থন আদায় করতে চালাচ্ছেন দিনরাত প্রচারনা এবং করছেন কঠোর পরিশ্রম। প্রার্থীর একক ও প্যানেল ভিত্তিক পোস্টার,ব্যানার ও লিফলেটে ছেয়ে গেছে পুরো বাসস্ট্যান্ড চত্বর।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৩ শত ৫২ জন। মোট ১৯টি পদের মধ্যে ৭ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছে। আর বাকী ১২টি পদের জন্যে দুই প্যানেলে ১২ জন করে ২৪ জন ও ১ জন স্বতন্ত্র মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

নির্বাচনে গোলাপ-জুয়েল পরিষদে সভাপতি পদে গোলাম মোস্তফা গোলাপ (আনারস), সাধারণ সম্পাদক পদে ইরফানুল ইসলাম জুয়েল (চেয়ার) এবং মোতালেব-হালিম পরিষদে সভাপতি পদে মোতালেব শিকদার (ছাতা), সাধারণ সম্পাদক পদে আলহাজ্ব আব্দুল হালিম সরকার (মোমবাতি) লড়ছেন।

ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে রাজনীতি, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড। ফলে বাসস্ট্যান্ড ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন বিবিধ কারনে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ। কয়েকটি জেলার প্রায় ১৭টি উপজেলার মানুষ এলেঙ্গাতে ব্যবসা বাণিজ্যে নিয়োজিত রয়েছেন। তাই সাধারণ ব্যবসায়ীর নিরপত্তা সহিদ নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার জন্য বাসস্ট্যান্ড ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।

বেশ কয়েকজন সাধারণ ব্যবসায়ী ভোটারদের সাথে নির্বাচন সম্পর্কে কথা বললে তারা জানান, যে প্রার্থীরা আমাদের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকবে, আমাদের কথা শুনবে এবং কাজ করবে আমরা তাদের ভোট দিবো।

এদিকে অধিকাংশ ভোটারদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পয়নিস্কাষন ব্যবস্থা। ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এতদিনের পুরনো সংগঠন অথচ নেই নিজস্ব কার্যালয়, নেই পয়নিস্কাষনের ব্যবস্থা।

নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সার্বিক কর্মসূচি গ্রহন করেছে।

ইআর