ঝিনাইদহ শহরের ডক্টরস ক্লিনিক থেকে স্বামী ও স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ক্লিনিকটিতে সিমেন (স্পাম) পরীক্ষা করতে এসেছিলেন। মৃত ব্যক্তিরা মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বগুড়া গ্রামের ঝন্টু ফকিরের ছেলে জুয়েল হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন।

ডক্টরস ক্লিনিকের মালিক হামিদুন্নেছা পাখি জানান, দুপুর ১২টায় জুয়েল হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন ক্লিনিকে আসেন। তাদের গত পাঁচ-ছয় বছর আগে বিয়ে হলেও কোনো সন্তান হয়নি। তাই সিমেন (স্পাম) পরীক্ষার পরামর্শ দেয়া হয়। তখন তারা ডক্টরস ক্লিনিকের প্যাথলজিতে সিমেন পরীক্ষা করাতে চাইলে সিমেন সংগ্রহে ইন্টারকোর্সের জন্য ক্লিনিকের একটি কক্ষে কৌটাসহ পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তারা দরজা না খুললে ক্লিনিকের ওয়ার্ড বয় কলিমুদ্দিন দরজা ধাক্কা দিয়ে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সিটকিনি ভেঙে ভেতরে ঢুকে উভয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকাল ৩টার দিকে ক্লিনিকের ওই কক্ষ থেকে বেডের উপরে স্ত্রী নাসরিন ও মেঝেতে স্বামী জুয়েল হোসেনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

ঝিনাইদহ সহকারী পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রহস্যজনক। মৃতদেহ দুটির ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই