বগুড়ার গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ন ম আব্দুল্লাহ আল হাসানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর সরকারি বাসভবনের শয়ন কক্ষ থেকে। আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফ্যানের সঙ্গে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
জানা গেছে, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার কদমতলা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে আ.ন.ম. আবদুল্লাহ আল হাসান সম্প্রতি গাবতলী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি থানা চত্বরের কোয়ার্টারে একাই থাকতেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, সকালে থানা থেকে ফোন করলেও তিনি ধরছিলেন না। সাড়ে ১০টার দিকে থানা-পুলিশের কয়েকজন তাঁর বাসার যান। সেখানে তাঁরা শয়ন কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান। পরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী ওসি হাসানের আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করলেও কারণ বলতে পারেননি।
তবে বিভিন্ন সূত্র বলেছে, ওসি হাসান বুধবার সকালে থানার ডিউটি অফিসার এএসআই হাসিনাকে ডেকে স্ত্রীকে দেবার জন্য একটি চিঠি ও চাবি দেন। এছাড়া তিনি ফোনে স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন।
সূত্রের দাবি, দাম্পত্য বা পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমায়াতুল হাসিন বলেন, বেলা সোয়া ১১টার দিকে ওসি আবদুল্লাহ আল হাসানকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। গলায় একটা দাগ দেখা গেছে। তবে শরীরে অন্যান্য স্থানে আঘাতের কোনো চিহ্ন আছে কি না, সেটা সুরতহাল প্রতিবেদনের সময় পুলিশ দেখবে।
এমবি/কেবি





