গত তিন দিন ধরে প্রবল বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গংগাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার চরাঞ্চলে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সেই সাথে গংগাচড়া উপজেলার আলম বিধিতর ও কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ এবং টেপামধুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন হলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় সেখানকার মানুষের মাঝে নতুন করে আতংক দেখা দিয়েছে।
সোমবার দুপুর পর্যন্ত এসব এলাকার ১৫০ টি ঘরবাড়ি তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
তিন দিনের প্রবল বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বিশেষ করে শালবন, মিস্ত্রিপাড়া, বোতলা, নিলকন্ঠ, পালপাড়া, মুলাটোল, ধাপ, রাধাবল্লভ, গুপ্তপাড়া, কামালকাছনা, বাবু পাড়া, গুড়াতিপাড়া, মাহিগঞ্জ, বাহারকাছনা, জুম্মাপাড়া, কুকরুল, বুড়িহাট,স্টেশন এলাকা হাঁটু পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আতিকুর রহমান জানান, রোববার সকাল থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত রংপুরে প্রায় ২৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
বৃষ্টি আরো হতে পারে বলে তিনি জানান।
বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষেরা। কাজ না পেয়ে কষ্টে জীবন যাপন করছেন তারা।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মাহাবুব হোসেন জানান, সোমবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ব্যারেজ এলাকায় তিস্তার পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বিকেলে নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে তিনি জানান।
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





