সন্ধ্যায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়া ট্রেনগুলো প্রায় আট ঘণ্টা পর গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

যশোরের সিঙ্গিয়া স্টেশনের কাছে মঙ্গলবার সকাল নয়টা ২০ মিনিটের দিকে একটি মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। খবর পেয়ে খুলনা থেকে রিলিফ ট্রেন এসে বগিটি উদ্ধার ও রেললাইন সংস্কারের কাজ শুরু করে।

যশোর রেল জংশনের সহকারী মাস্টার শরিফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটে রেলযোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়েছে।

যশোর জংশনের মাস্টার মানিকচন্দ্র সরকার জানান, খুলনা থেকে রিলিফ ট্রেন সিঙ্গিয়ায় এসে কাজ শুরু করে দুপুর পৌনে ২টার দিকে। দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর দুর্ঘটনাকবলিত বগিটি উদ্ধার ও রেললাইন সংস্কারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

এর আগে, সিঙ্গিয়ায় দুর্ঘটনার কারণে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। যশোরের নওয়াপাড়া স্টেশনে আটকা পড়ে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন চিত্রা ও রাজশাহীগামী আন্তঃনগর রূপসা।

যশোর জংশনে আটকা পড়ে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর সাগরদাঁড়ী। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রেনটিকে রাজশাহী ফেরত পাঠানো হয়। এ ছাড়া সন্ধ্যা পর্যন্ত যশোর জংশনে আটকা পড়ে ছিল বেনাপোল-খুলনা রুটের যাত্রীবাহী কমিউটার ট্রেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে যশোরের সিঙ্গিয়া স্টেশনের কাছে একটি মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

যশোর সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন এবং যশোর জংশনের সহকারী মাস্টার সাইদুর রহমান একে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে আখ্যা দেন। তারা বলেন, এটি নাশকতা নয়।

এমকে