রোববার রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, ক্রেতাদের ভোগান্তি কমাতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে নগদ টাকার পরিবর্তে ক্যাশলেস বা কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জাল টাকা শনাক্ত ও প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পশুর হাটগুলোতেও কন্ট্রোল রুম বসিয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র্যাব।
মো. আহসান হাবীব পলাশ আরও বলেন, কোরবানির পশু নিরাপদে হাটে পৌঁছাতে র্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, ঈদুল আজহার সময় শহরগুলোতে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় অপরাধীরা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ কারণে পশু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ছিনতাই ঠেকাতে নিরাপত্তা চৌকি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব মহাপরিচালক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোরবানির পশুবাহী যানবাহনকে জোরপূর্বক কোনো নির্দিষ্ট হাটে নিতে বাধ্য করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ঈদ ও কোরবানিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এস