ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে সারাদেশেই বজ্রসহ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। থেমে থেমে দমকা বাতাসে আতঙ্ক বাড়ছে। বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে ৬ জন নিহত হয়েছে।  

আজ (০৩ মে) শুক্রবার দুপুরে বৃষ্টিপাতের সময় মিঠামইন উপজেলায় ২জন আর পাকুন্দিয়ায় ৩ জন ও ইটনায় ১জন এই বজ্রপাতে তাঁরা মারা যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৭), বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে মহিউদ্দিন (২২), পাকুন্দিয়া উপজেলার কোষাকান্দা গ্রামের আয়েছ আলীর ছেলে আসাদ মিয়া (৪৫), চর আলগি গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৫), আলতাব উদ্দিনের মেয়ে নুরুন্নাহার (৩২) ও ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে রুবেল দাস (২৬)।

মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রাব্বানী বলেন, কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের হাওরে বৃষ্টিপাতের মধ্যে গরু আনতে গিয়ে সুমন মিয়া বজ্রপাতের শিকার হয়। এছাড়া একই সময় উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের হাওরের জমিতে বোরো ধান কাটার সময় বজ্রপাত হলে মহিউদ্দিন মারা যান।

আসাদ মিয়া মারা যান নিজের বাড়ির সামনে জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটার সময়।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসাদ ঘাস কাটার সময় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাত হলে আসাদ নিহত হন।  মুজিবুর রহমান বাড়ির সামনে জমিতে কাজ করছিলেন। নুরুন্নাহার চাল ছাঁটাই করে ফেরার পথে গাছতলায় দাঁড়ালে বজ্রপাত হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের হাওরে রুবেল ধান কাটা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে আচমকা বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতে রুবেল আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

এমবি