বন্যায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। স্বজনপ্রীতি, কম দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি এসব অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করলে ত্রাণ থেকে বঞ্চিত করা হয় অনেককে- এমন তথ্যই উঠে এসেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণায়।

আজ (২৯ সেপ্টেম্বর) রোববার ‘বন্যা-২০১৯ মোকাবেলায় প্রস্তুতি এবং ত্রাণকার্যক্রমে শুদ্ধাচার পর্যবেক্ষণ’শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে টিআইবি’র ঢাকাস্থ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন- টিআইবি উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের।

তথ্য উপস্থাপন করেন মো: নেওয়াজুল মাওলা, মো: মাহফুজুল হক, অমিত সরকার, এস এম জুয়েল ও মো: জাকির হোসেন খান।

টিআইবি বলছে, ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। স্বজনপ্রীতি, কম দেয়া এবং পাশাপাশি একই পরিবারকে একাধিক বার ত্রাণ দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি এসব অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করলে ত্রাণ থেকে বঞ্চিত করা হয় অনেককে।

আরও বলা হয়, বন্যাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় বাজেট, লোকবল ও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বন্যা আক্রান্ত অন্যান্য স্থানে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানে ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। চিকিৎসা, পানি, স্যানিটেশন, নারী-শিশু-বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা লক্ষ্য করা যায়নি।

এমনকি ত্রাণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায্যতা ও অংশগ্রহণের ঘাটতির পাশাপাশি বন্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের সার্বিক তদারকিতে লক্ষণীয় দুর্নীতি ছিল বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

এমবি