রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মোফাজ্জল হোসেন নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মোফাজ্জলের সঙ্গে থাকা মনু নামে তাঁর এক বন্ধুও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে দক্ষিণ বাড্ডার জাগরণী ক্লাবের সামনে তাঁদের ওপর গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা।

নিহত মোফাজ্জল বাড্ডা থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। মোফাজ্জলের ভাই তোফাজ্জল হোসেন  বলেন, মোফাজ্জল ও তাঁর বন্ধু মনু রাত সাড়ে আটটার দিকে জাগরণী ক্লাবের ভেতরে বসে ছিলেন। এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি দল ক্লাবের ভেতরে ঢুকে খুব কাছ থেকে তাঁদের গুলি করে। তাঁরা দুজনই গুলিবিদ্ধ হন।

মোফাজ্জলের মাথায় ও গলায় পাঁচটি গুলি লাগে। রাত সোয়া নয়টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, মনুকে গুরুতর অবস্থায় অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে চিকিৎসকেরা মোফাজ্জলকে মৃত ঘোষণা করার পর তাঁর স্বজনেরা ও এলাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাঁর লাশ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। এ সময় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাও ভাঙচুর করেন তাঁরা।

এক পর্যায়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সিরাজুল ইসলাম নিহত মোফাজ্জলের স্বজনদের বোঝান যে, আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ময়না তদন্তের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পরে তাঁর লাশ মর্গে পাঠানো হয়।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি বলে জানান তিনি।

কেবি