প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’র ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও যত দিন পর্যন্ত যাত্রী থাকবে তত দিন পর্যন্ত চীন থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
যদিও ঢাকা থেকে চীনগামী যাত্রীর সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্যাপ্টেন সিকদার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে সিলেটগামী ফ্লাইটে যাত্রী সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও চীন থেকে বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে যাত্রী সংখ্যা শতকরা ৯২ ভাগের ওপরে। এর মধ্যে ৮০ ভাগই বাংলাদেশি।
এছাড়া আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশনের নিয়ম অনুযায়ী, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ক্যাপ্টেন সিকদার।
গত রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে এইসব তথ্য জানানো হয়।
এদিকে যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আরামদায়ক সেবা দেওয়ার জন্য ৬টি অত্যাধুনিক ব্র্যান্ড নিউ এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট বিমানবহরে যোগ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
নতুন যুক্ত হওয়া এয়ারক্রাফটগুলোর উদ্বোধন করার মুহূর্তে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের সিইও ক্যাপ্টেন সিকদার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আনন্দময় ভ্রমণই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। এছাড়া ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা ও নিরাপত্তা প্রদান করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসকে একটি অন্যতম শীর্ষ দেশীয় এবং আঞ্চলিক এয়ারলাইনস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”
সিইও জানান, পুরো বাংলাদেশে এয়ার কানেকটিভিটি তৈরি করা তাদের লক্ষ্য। শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়; সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে যশোরসহ অন্য অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর রুটেও ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা আছে ইউএস-বাংলার।
এমবি





