নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে দেশে রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা ফিরে আসবে। অন্যথায় জনগনকে আরও সংঘাত-সহিংসতার রাজনীতির দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল (জেএসডির সাধারন সম্পাদক) আব্দুল মালেক রতন।
রোববার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভি আইপি লাউঞ্জে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি আয়োজিত সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আব্দুল খালেকের ইশতেহার প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি মন্তব্য করেন।
আব্দুল খালেক বলেন ‘মানুষ যখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে, তখন সরকার ঢাকা মহানগরকে দুভাগে ভাগ করে দুর্ভোগের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক অবস্থার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে দেশে রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা ফিরে আসবে। অন্যথায় জনগনকে আরও সংঘাত সহিংসতার রাজনীতির দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
এখনও নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, সরকার ও বড় দলগুলো ক্রমান্বয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে চলছে। এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। তিনি নির্বাচনে সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দিয়ে নির্বাচনোত্তর জাতিকে একটি স্তিতিশীল পরিবেশ উপহার দেওয়ার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনারের প্রতি আহ্বান জানান।
ঢাকা মহানগরী বসবাসের অযোগ্যে হওয়ার প্রধান কারণ ডেসা-ওয়াসা, গ্যাস-বিদ্যুৎ, রাজউক, টিএন্ডটিসহ ঢাকাতে কর্মরত ২০টি মন্ত্রণালয় এবং ৫০টিরও বেশি দপ্তরের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করে নির্বাচনী ইশহারে আব্দুল খালেক বলেন, জনগণের দুর্ভোগমুক্ত আধুনিক ঢাকা মহানগরী গড়ে তোলার জন্য মেট্রোপলিটন সরকার গঠন করা অপরিহার্য। আর আমি যদি জনগনের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি তাহলে আমার প্রথম কাজ হবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
এই নির্বচনে বিজয়ী হলে জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দলের সমর্থীত মেয়র প্রার্থী আব্দুল খালেক দুর্ভোগমুক্ত মহানগরী গড়ার প্রত্যয়ও ২৯ টি কর্মপরিকল্পনা পেশ করেন।
এমএ/কেএইচ





