নির্বাচনে কারচুপি রোধে ঘণ্টা প্রতি ভোটের হার নির্ণয় করলো নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘মক ভোট’ করে সে পরীক্ষাটি চালিয়েছে ইসি। এতে এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৬টি ভোট পড়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিন সিটি নির্বাচনে কোনো কোনো কেন্দ্রে হঠাৎ ভোট পড়ার হার বেড়ে গিয়েছিল। ১০টি কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ছিল ৯০ শতাংশের বেশি। যা কারচুপি হয়েছে বলে ইসির ধারণা। আর এ জন্যই নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মোবারক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদকে আন অফিসিয়াল (ইউও) নোট দেন।
এতে তিনি প্রতি ঘণ্টা ভোট কাস্ট হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করার পক্ষে মতামত দেন। একই সঙ্গে একটি মক ভোটের আয়োজন করে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ভোট কাস্টের হার নির্ণয়ের প্রস্তাব করেন।
আব্দুল মোবারকের সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে বুধবার নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) একটি মক ভোটের আয়োজন করে ইসি। এতে বিরতিহীনভাবে দুই ঘণ্টা ভোট নেওয়া হয়। প্রকৃত নির্বাচনের মতোই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা ভোট নেন। যা ফলাফল বেরিয়ে আসে, তা থেকে জানা যায়- খুব তাড়াহুড়ো করে এবং নিয়ম মেনে ভোট হলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৬টি ভোট দেওয়া সম্ভব।
ইটিআই মহাপরিচালক খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, মক ভোটে প্রথম ঘণ্টায় ৭১টি এবং দ্বিতীয় ঘণ্টায় ৮১টি ভোট পড়ে। এ থেকেই বোঝা যায়, একটি বুথে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৬টি ভোট পড়তে পারে।
জানা যায়, আগামী ৩০ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মাগুরা-১ আসনের উপ-নির্বাচনে কারচুপি হলে যেন সহজেই ধরা যায়, এ পরীক্ষা চালানোর এটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এ উপ-নির্বাচনে ঘণ্টায় ঘণ্টায় ফলাফল সংগ্রহ করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এএইচ





