চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে (৪৭) ঘুষের টাকাসহ আটক করেছে কুষ্টিয়া দুর্নীতি দমন কমিশন। শহরের পুরাতন হাসপাতালপাড়ায় অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে বুধবার বিকেলে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়।
আটক প্রকৌশলী মাহমুদ আলম কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া ছয়রাস্তা মোড়ের মরহুম আব্দুল বারীর ছেলে।
আটকের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল গাফফার বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ অন্য হাসপাতালের বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজ করার জন্য ১০টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার মৃত আইয়ুব আলী মণ্ডলের ছেলে ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ৪৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ টাকার সরকারি কাজ শেষ করেন। তিনি ছয়টি কাজের নিরাপত্তা জামানতের টাকা ফেরত চাইলে প্রকৌশলী মাহমুদ আলম দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ১৫ জুলাই ওই ঠিকাদার ঝিনাইদহের ঠিকাদার ইমারত আলীর সামনে এক লাখ টাকা ঘুষ দেন। ঘুষের টাকা নিয়েও জামানতের টাকা ফেরত দেননি সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলম। এরপর তিনি ৭ আগস্ট আরও এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করে তা বুধবার পরিশোধের দিন ধার্য করেন।
ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম প্রকৌশলীর ঘুষ দাবির বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল গাফফারকে জানান। বিষয়টি জেনে উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে একটি দল প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে হাতেনাতে ধরতে দুপুর থেকে ফাঁদ পাতেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী খাইরুল ইসলাম দুদক উপ-পরিচালকের সামনেই ৪৮ হাজার টাকা প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে দেন। এ সময় তারা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত হোসেন জানান, এ ঘটনায় দুদক উপ-পরিচালক মো. আব্দুল গাফফার বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এএইচ





