সমিতির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে আগামী ১০ মে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া। এতে বলা হয়, বর্তমান ব্যবসায়িক মন্দা পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন।

এর আগে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকান খোলা রাখার সময় সন্ধ্যা ৬টা, পরে ৭টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও ব্যবসায়ীদের অনুরোধে সময়সীমা আরও বাড়ানোর দাবি ওঠে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঈদ মৌসুমে সাধারণত বিক্রি বাড়ে। তাই সময় বাড়ানো হলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

এছাড়া বিভিন্ন জেলায় চলমান বাণিজ্য মেলা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সমিতির দাবি, এসব মেলায় নিম্নমানের পণ্য বিক্রির কারণে নিয়মিত ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বর্তমানে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। তাই দোকান খোলা রাখার সময় রাত ১১টা পর্যন্ত বাড়ানো হলে তা ইতিবাচক হবে।

তারা আরও জানান, ঈদুল আজহার পর সাত দিন সারা দেশের মার্কেট ও বিপণি বিতান বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

সরকার এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।সমিতির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে আগামী ১০ মে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া। এতে বলা হয়, বর্তমান ব্যবসায়িক মন্দা পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন।

এর আগে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকান খোলা রাখার সময় সন্ধ্যা ৬টা, পরে ৭টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও ব্যবসায়ীদের অনুরোধে সময়সীমা আরও বাড়ানোর দাবি ওঠে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঈদ মৌসুমে সাধারণত বিক্রি বাড়ে। তাই সময় বাড়ানো হলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

এছাড়া বিভিন্ন জেলায় চলমান বাণিজ্য মেলা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সমিতির দাবি, এসব মেলায় নিম্নমানের পণ্য বিক্রির কারণে নিয়মিত ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বর্তমানে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। তাই দোকান খোলা রাখার সময় রাত ১১টা পর্যন্ত বাড়ানো হলে তা ইতিবাচক হবে।

তারা আরও জানান, ঈদুল আজহার পর সাত দিন সারা দেশের মার্কেট ও বিপণি বিতান বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

সরকার এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

এস