পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বাংলাদেশ-মায়ানমারের অষ্টম বৈঠক চলছে। রোববার সকাল ১০টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পক্ষে দেশটির উপ-পররাষ্টমন্ত্রী থানচি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া আবাও শুরু করা যায় সে বিষয়টি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছি। কিন্তু জুন মাসে রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংঘাতের ফলে এ প্রক্রিয়া থেমে যায়।
এছাড়াও বৈঠকে শান্তিপূর্ণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ইয়াবা চোরাচালান বন্ধসহ অমীমাংসীত বিষয় গুরুত্ব পাবে।
জানা যায়, কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে মোট ৩০ হাজার তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গা রয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার ও বান্দরবন এলাকায় প্রায় ৫ লাখ অতালিকাভুক্ত অনু্প্রবেশকারী রোহিঙ্গা রয়েছে।
এদিকে গত শুক্রবার মায়ানমারের সরকার নতুন আদমশুমারির ফলাফল ঘোষণা করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ১৯৮৩ সালের পর মায়ানমারের মানুষ কমেছে প্রায় ৯০ লাখ। সে সময় ৬ কোটি মানুষ ছিল। এখন মায়ানমারের লোক সংখ্যা ৫ কোটি ১০ লাখ।
রাখাইন প্রদেশের মুসলিম সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ও কোচিন প্রদেশের জাতিগত বিদ্রোহীদের আদমশুমারিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। রোহিঙ্গাদের বাদ দেয়ার বিষয়ে দেশটি জানিয়েছে, তারা মায়ানমারের বৈধ নাগরিক নয়। তারা জাতিতে বাঙালি, তারা বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে এসেছে।
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





