ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী ভানুলাল সাহা বলেছেন, ‘অদ্বৈত মল্লবর্মণ ছিলেন বাংলাদেশ-ভারতের গৌরব। তিতাস পাড়ের অন্তজ শ্রেণীর জেলে সম্প্রদায়ের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা আর বঞ্চনার কাহিনী নিয়ে নির্মিত তিতাস একটি নদীর নাম এখন বিশ্ব দরবারে সমাদৃত।’

অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর র্কীতি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ বাংলাদেশ-ভারতসহ সারাবিশ্বে গবেষণা হচ্ছে।

কালজয়ী লেখক অদ্বৈত মল্লবর্মণের ১০৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী অদ্বৈত মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রিপুরার সংস্কৃতিমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

মেলার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, অদ্বৈত মেলার আহবায়ক জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী তিনদিন পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রতিদিন আলোচনা সভা, নাটক, আবৃত্তি, লাঠিখেলা ও নাটক মঞ্চস্থ হবে।

উল্লেখ্য, ১৯১৪ সালের ১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরতলীর গোকর্ণঘাটের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে ১৯৫১ সালের ১৬ এপ্রিল কলকাতার নারিকেল ডাঙ্গার যষ্ঠী পাড়ায় তার জীবনাবসান ঘটে।

জেআই