দেশে অনির্বাচিত সরকারের ব্যবস্থা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল ও যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াত জোট সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। যুদ্ধপরাধীরদের বিচার কার্যক্রম চলবে এবং এ বিচারকার্য অচিরেই শেষ করা হবে।'  

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রুপ দান করা হয়েছে। ২০০৮ সালে রাজনৈতিক ইশতিহারে বলা হয়েছিল ২০২১ সালে বাংলাদেশ মাধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করা হবে।

আমরা মাতৃকালীন ছুটিকে ৪ মাস থেকে তা ৬ মাসের করা হয়। সরকারী চাকুরীতে মেয়েদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে নারী অংশগ্রহণে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম অবস্থান করেছে।

সরকারী চাকুরীদের ২য় দফায় বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হবে। পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টরকে ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণী করা হয়েছে এবং ইন্সপেক্টরকে ২য় শ্রেণী হতে ১ম শ্রেণী করা হয়েছে। তাদের ঝুকি ভাতা করা চালু করা হয়েছে।

শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ৪১৭৫ টাকা করা হয়েছে এবং গার্মেন্টস কর্মীদের সর্বনিম্ন ৫৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বয়স্ক ভাতার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বয়স্কদের ভাতা প্রতি মাসে ৪০০ টাকা করে দেয়া হয় এবং ৪ লাখ প্রতিবন্ধীদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেয়া হয় বলে জানান তিনি।

হিজরাকে ৩য় লিঙ্গের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের দেয়া হয়েছে পূর্ণ স্বাধীনতা। অথচ বিএনপি আমলে নির্যাতনসহ ১৬ জন সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সরকারের আমলে ৩২টি টেলিভিশন ও ২২টি রেডিওর অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের ১ কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। তাদের জন্য গঠন করা হয়েছে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট।

তিনি আরো বলেন, ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করাটা ছিল তার রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত। কিন্তু সেই ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত সাধারণ নাগরিকদের কেন দেয়া হচ্ছে।

তাই এখনো সময় আছে নিজের দল গঠন করেন। আপনি যে কথা বলছেন তা বাংলাদেশর জন্য কল্যাণ নয়।

এসএইচ