কোলকাতা-ঢাকা-আগরতলা যাত্রীবাহী বাস পরীক্ষামূলকভাবে আজ সোমবার দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। কলকাতা থেকে আগরতলার হাজার কিলোমিটার দূরত্ব কমিয়ে দিতে শুরু হয়েছে বাস সার্ভিস।
সোমবার সকাল ১০টায় কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা রুটে পরীক্ষামূলক এই বাস চলাচল শুরু হয়।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন সচিব আলাপন ব্যানার্জীর নেতৃত্বে প্রশাসনের ১৪ জন কর্মকর্তাদের নিয়ে বাসটি বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বেনাপোল চেকপোস্টে তাদেরকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান, বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব আজাহারুল ইসলাম, যশোর জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবির, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, কাস্টমস অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম, বন্দরের উপ পরিচালক আ: জলিল ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম শরিফুল আলম।
ভারত বাংলাদেশ’র মধ্যে সম্পর্ক্য আরো সুদৃঢ় করতে আগামী ৬ জুন ভারতীয় প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ঢাকায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর বানিজ্যিক ভাবে এই বাস সার্ভিস চালু হবে বলে জানান, দু’দেশের কর্মকর্তারা। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা পর্যন্ত বাস যোগাযোগ শুরু হবে। বাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে বেনাপোল ছেড়ে গেছে। রাতে ঢাকায় অবস্থান করে আগামী কাল সকালে আখাউড়া হয়ে বাসটি আগরতলায় পৌছাবে।
আগরতলা থেকে আসাম ঘুরে কলকাতা পৌঁছাতে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। তবে বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে আগরতলা যেতে মাত্র ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই খুব কম সময়ে, সামান্য খরচেই ত্রিপুরার মানুষ আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কোলকাতা যেতে পারবেন।
কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গ ভূতল পরিবহন নিগমের লাইসেন্স নিয়ে শ্যামলী যাত্রী পরিবহন এই পরিষেবা চালাবে এবং ঢাকা থেকে পরিষেবাটি চালাবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার (বিআরটিসি) লাইসেন্স নিয়ে শ্যামলী পরিবহন।
ইআর





