চট্টগ্রামে সাংস্কৃতিক সংগঠন পারাবাতের ব্যানারে আয়োজিত ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান থেকে আটক জামায়াত-শিবিরের ২২৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে পুলিশ। রোববার সিএমপি কোতোয়ালী থানা পুলিশের উপ উপ পরিদর্শক (এসআই) গোলাম ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের আটক করে থানায় নেয়া হয়। আটকের সময় অনুষ্ঠানস্থলে ব্যবহৃত সাউন্ড সিসটেম, মাইক্রোফোন, তবলা হারমুনিয়ামসহ পারাবাত শিল্পী গোষ্ঠীর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
সিএমপি কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, নগরের স্টেশন রোডের পর্যটন করপোরেশনের মোটেল সৈকত থেকে ছাত্রশিবিরের গ্রেফতার ২১৪ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ। ওই মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে জামায়াতের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহ, ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি রফিকুল হাসান, সেক্রেটারি ইমরানুল হক রয়েছেন।
ওসি বলেন, নগরের স্টেশন রোডের মোটেল সৈকতে গোপন বৈঠক থেকে শিবিরের প্রায় ২৯৪ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। গ্রেফতারের পর যাচাই-বাছাই শেষে রোববার সকালে ২১৪ জনকে এজাহার নামিয় এবং অজ্ঞাত আরও ১০জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী ওমর ফারুক জানান, ‘পারাবার’ নামে সাংস্কৃতিক একটি সংগঠনের ব্যানারে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ওই হোটেলে। আর এই সংগঠনটি ইসলামী শিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার পরিচালিত সাংস্কৃতিক শাখা।





