জয়পুরহাটে পাঁচবিবি রেল স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এক কোটি ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স।
শনিবার সকালে দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে রাজশাহীগামী ৩২ নম্বর ডাউন উত্তরা একপ্রেস ট্রেনে ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়।
এ ঘটনায় আটক পাঁচ চোরাকারবারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে।
পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূর উদ্দীন আল ফারুক এ আদেশ দেন।
দণ্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন-রংপুর সদর উপজেলার নূরপুর গ্রামের হিরু, দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সঞ্জয় কুণ্ডু, রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার যোগাই গ্রামের রাসেল মণ্ডল, জয়পুরহাট সদরের পালি সরদারপাড়ার হারুনুর রশিদ ও আক্কেলপুর উপজেলার রোয়ার গ্রামের সানোয়ার হোসেন।
ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূর উদ্দীন আল ফারুক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানান, তার নেতৃত্বে উত্তরা ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত নীলসাগর ট্রেনের একটি বগিসহ কয়েকটি বগিতে তল্লাশি চালিয়ে ভারত থেকে চোরাই পথে আনা বিভিন্ন পণ্যসহ পাঁচজনকে আটক করে টাস্কফোর্স। এসময় চোরাই পণ্য বহনের দায়ে ওই পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে দুই হাজার ৬৩৪টি শাড়ি, ১০৭টি থ্রি-পিস, ১৭টি শার্টের পিস, ১৩০টি প্যান্টের পিস ও ৩০ কেজি ইমিটেশনের গহনা। এসব পণ্যে আনুমানিক দাম এক কোটি ১১ লাখ টাকা বলে টাস্কফোর্স সূত্র জানিয়েছে।
জয়পুরহাট-৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুর রাজ্জাক তরফদার জানান, আটক পণ্য দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি শুল্ক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সান্তাহার জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইকবাল জানান, রেলওয়েতে লোকবল কম থাকায় চোরাচালান ঠেকানো যাচ্ছে না। তবে ট্রেনে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসএইচ





