বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরানোর পর তাকে রাতেই নেওয়া হচ্ছে সিলেটে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে সড়কপথে তাকে নিয়ে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। এদিন কামরুলের ১৬৪ ধারা জবানবন্দি রেকর্ড করা হতে পারে। পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় কামরুলকে নিয়ে হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পুলিশের তিন কর্মকর্তা। সফররত পুলিশের এই দলের সদস্য সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) রহমত উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এরআগে সিলেট মহানগর পুলিশের একটি দল রাজন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদারসহ ঢাকায় পৌঁছান। বিকালে তারা সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছেন বলে জানা যায়।
সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি-প্রসিকিউশন) আব্দুল আহাদ চৌধুরী বলেন, সিলেটে আনার পর আদালতের মাধ্যমে কামরুলকে কারাগারে পাঠানো হবে।
এছাড়া ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেবেন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) সুরঞ্জিত তালুকদার। ওই তারিখে কামরুলকেও আদালতে হাজির করা হবে বলেও জানান তিনি।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এসএম রুকন উদ্দিন বলেন, কামরুলকে নিয়ে রাতেই সিলেটে ফিরবে পুলিশ। এখানে আনার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ধার্য তারিখে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
রাতেই কামরুলকে সিলেটে আনা হবে- এমনটি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, কামরুলকে বিচারের মুখোমুখি করার আগে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া যেতে পারে। এতে আইনে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওয়ানা দেন সিলেটের তিন পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল করিমের নেতৃত্বে রহমত উল্লাহ ছাড়াও সফররত আরেক সদস্য হলেন সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন।
এমকে





