চলতি বছরের ১২ মে তারিখের মধ্যে দেশের সবগুলো স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সম্প্রচার করবে বলেছেন, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
প্রথম তিনমাস চ্যানেল মালিকদের কাছ থেকে এর জন্য কোনো খরচ নেবে না বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সচিবালয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন কোম্পানি ওনার্স (এটকো)’র বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তথ্যমন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেছেন, প্রথম তিনমাস বিনামূল্যে সেবা দেয়া হবে। এছাড়া আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন বিদেশি চ্যানেলে প্রচার বন্ধ না করলে, সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে অনলাইন ও দৈনিক পত্রিকা টকশো ও ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করার বিষয়ে আপত্তি জানান ৭১ টিভির সিইও মোজাম্মেল বাবু।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আরেকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যদিও বা এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাবলিক নোটিফিকেশন করা হয়েছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি অন্যান্য দেশেও দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি ভারত, ইংল্যান্ড, ইউরোপেও দণ্ডনীয় অপরাধ।’
‘আমরা ইতোমধ্যে ক্যাবল অপারেটরদের নোটিফাই করেছি। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর দুবার নোটিস জারি করেছি। আমরা পুনরায় নোটিস জারি করব। ১ এপ্রিলের পর থেকে কেউ যদি এ আইন ভঙ্গ করে, সরকারের এ নির্দেশনা পালন না করে, তাহলে আমরা এনফোর্সমেন্টে (আইনানুযায়ী শাস্তি) যাব।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে ৪৪টি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি বা এর চেয়ে একটু বেশি সম্প্রচারে আছে। ৪৪টির বাইরে টেলিভিশন চ্যানেল নামে যেগুলো করা হয়, সেগুলো সব অননুমোদিত। সেগুলোর কোনো অনুমোদন নেই।’
এটকোর সিনিয়র সহ-সভাপতি একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু সাংবাদিকের বলেন, ‘আপনারা জানেন, টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি অত্যন্ত সিক হয়ে পড়ছে। বিজ্ঞাপন মার্কেট ছোট এবং বিজ্ঞাপন যতটুকু ছিল তার একটা বড় অংশ বিদেশে পাচার হচ্ছে।
আরেকটা বড় অংশ ডিজিটাল মিডিয়ায় অবৈধভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এগুলো বন্ধের ব্যাপারে আমরা তার (তথ্যমন্ত্রী) সঙ্গে কথা বলেছি এবং তার কাছ থেকে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছি।’
এএস





