রাজশাহী কলেজের ছাত্রী বহনকারী যে বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তিন ছাত্রী নিহত হয়েছিলেন সেই বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ নগরীর মেহেরচন্ডী কড়ইতলা এলাকা থেকে 'লাকী পরিবহন' নামে ওই বাসের চালক আব্দুর রাজ্জাককে আটক করে।

মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ওই দুর্ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ তাকে আটক করে।

তিনি জানান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুর রাজ্জাক ওই দিন বাসটি চালানোর কথা স্বীকার করেছেন। দুর্ঘটনার সময় চোখের কোনায় একটু আঘাত পান চালক রাজ্জাক।

রাজ্জাকের বরাত দিয়ে ওসি জানান, ইসলাম পরিবহনের সঙ্গে মুখোমুখি নয়, পাশ ঘেষে ধাক্কা লাগলে লাকী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। তখন তিনি উদ্ধারকারী জনতার সঙ্গে মিশে পালিয়ে যান।

রাজ্জাক পুলিশকে জানান, ওই দিন গাড়িতে হেলপার ছিলেন জুম্মান নামে এক বৃদ্ধ। না পারা সত্ত্বেও সেদিন গাড়ি চালিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাজশাহীর পবা উপজেলায় দুই বাসের সংঘর্ষের পর একটি বাস খাদে পড়ে রাজশাহী কলেজের তিন ছাত্রীর মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- রাজশাহী কলেজের সমাজ কর্ম বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ও মতিহার থানার কাপাসিয়া এলাকার ফজলুল হকের মেয়ে মাহমুদা আক্তার তানিয়া (২০), ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী ও পুঠিয়ার ধাদাস গ্রামের তোফাজ্জলের স্ত্রী শারমিন আক্তার (২৪) এবং দূর্গাপুরের রইপাড়ার শাজাহান মিয়ার মেয়ে বিউটি খাতুন। বিউটি ইসলামের ইতিহাস বিভাগে চতুর্থ বর্ষে পড়তেন।

জেএ