চোরাই পথে আসা সোনার বার উদ্ধারের পর আত্মাসাতের মামলায় পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি)সহ ১০ পুলিশ আগামীকাল রবিবার আসছেন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।

জানা যায়, গত ১৩ মার্চ চোরাচালানের ২৩৫টি সোনার বার উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন এসব পুলিশ সদস্য। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষ্যে তলবি নোটিশ পাঠানো হয়।

দুদকের উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় দুদক কার্যালয়ে আগামীকাল সকাল ১০টায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ১০ পুলিশ সদস্যে তলব করেছেন। এ ১০ পুলিশ সদস্য হলেন, মতিঝিল জোনের এসি জুয়েল রানা, এস্আই রফিকুল ইসলাম, এ এস আই আবুল বাশার মিয়া , কনস্টেবল শ্রী নয়ন কুমার ,নায়েক মোঃ সাখাওযাত হোসেন, কনস্টেবল এ কে আজাদ, মোঃ বাবুল হাসান, ডেমরা জোনের এসি মাঈনুল ইসলাম, পরিদর্শক আবুল খায়ের মাতাব্বর ও কনস্টেবল সাইফুল আলম।

জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করেন ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মা. ফজলুল হক, এসআই আব্দুল মান্নান, কনস্টেবল মো.দেলোয়ার হোসেন, মো. রহিম, খিলগাঁও জোনের এসি ইকবাল হোসেন, এসআই এ এন এস নুরুজ্জামান, এসআই মো. মাসুদ মিয়া, রাশেদুল ইসলাম, কে এম মেহেদী হাসানকে।

এর আগে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করে গত ১৬ জুন রমনা জোনের পুলিশ কর্মকর্তা (পুলিশের এসি) শিবলী নোমানকে ।

গত ২৭ এপ্রিল রামপুরার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃপা সিন্দু বালা, ওসি (তদন্ত) নাসিম আহমেদ, এসআই কামরুজ্জামানকে। গত ৭ মে ডিবির ৯ কর্মকর্তাকে। এছাড়া গ্রেফতারকৃত আসামিসহ আরো কমপক্ষে ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় ডিবির ১৯ কর্মকর্তার।

ঢাকা, একে, ২৭, সেপ্টেম্বর. টাইমনিউজবিডি.কম,এসএইচ