গুলশানের আবাসিক এলাকার অননুমোদিত রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল ও স্কুল-কলেজসহ সকল অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘গুলশানসহ কূটনীতিক এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে যত্রতত্র রেস্টুরেন্ট, স্কুল, কলেজসহ অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। উইদাউট পারমিশনে যেসব স্থাপনা হয়েছে, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’
মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গুলশান কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দুই দফা বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।
সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, ‘বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা তদারকি করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে এধরনের স্থাপনা যাতে গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু।
এ ছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক, ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বৈঠকে অংশ নেন।
জেড





