নীলফামারীতে জামায়াত-শিবিরের ১৩ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে নীলফামারীর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতাহারাত আখতার ভুঁইয়া’র আদালত এ আদেশ দেন।
জেল হাজতে যাওয়া নেতাকর্মীরা সকলে নীলফামারীর রামগঞ্জে সংস্কৃতিমন্ত্রী ও নীলফামারী সদর আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুরের গাড়ীর বহরে হামলা ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা মামলায় চার্জশীটভুক্ত পলাতক আসামি।
দুপুরে ওই আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
জেল হাজতে যাওয়া নেতা কর্মীরা হলেন- একরামুল হক (২৫), হামিদুল ইসলাম (৩৮), আমিরুজ্জামান (২৫), হযরত মিয়া (২৯), আনোয়ার হোসেন (৩১), জহির আলী (৫৫), শাহরিয়ার রহমান (৩৫), বেলাল হোসেন (২৮), আব্দুল আলিম (৪৫), কাজিম আলী (৩৫), হযরত আলী (৫৫), আমির হামজা (৪৫) ও আব্দুস সোহবান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বরের নীলফামারী সদরের টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জহাটে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের গাড়ি বহরে হামলা চালায় বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের নেতারকর্মী।
কৃষক লীগ নেতা খুরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা মুরাদ হোসেন আওয়ামী লীগ কর্মী লেবু মিয়া ও পথচারী সিদ্দিক গাজীসহ ৫ জন নিহত হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই মামলায় ২১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট প্রদান করা হয়।
আদালতের ২৭৬/১৩ জিআর মামলায় পুলিশ কর্তৃক ৬০জন জামায়াত শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৫৯জন জামায়াত শিবির ও ৬২জন বিএনপির নেতাকর্মী আদালতের মাধ্যমে আত্মসর্মপণ করে কারাগারে যায়।
বাকী পলাতক ৩৬ জনের মধ্যে আজ ১৩ জামায়াত শিবির নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করে। মামলায় এখন পলাতক রয়েছে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক খায়রল আনাম ও জামায়াতের সাবেক জেলা সহকারী সেক্রেটারি উপাধ্যাক্ষ আবু হেলালসহ ২৩ জন।
এসএইচ





