রাজশাহী নগরের তেরখাদিয়া এলাকায় শৌচাগারে যেতে চাওয়ায় এক ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগে এক মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত ছাত্রকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ছাত্রের নাম আসাদুল্লাহ আল গালিব। তার বাবার নাম মোসলেম উদ্দিন। বাড়ি নগরের শ্যামপুর এলাকায়। সে তেরখাদিয়া এলাকায় মসজিদুল আবরার- এর মাদ্রাসায় হাফেজিয়া পড়ে।

গ্রেফতার হওয়ার শিক্ষকের নাম এমরান হোসেন (২৬)। তিনি মসজিদুল ওই মাদ্রাসার শিক্ষক।

নগরের রাজপাড়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মাহামুদুর রহমান জানান, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় জনগণ মাদ্রাসার ভেতরে ছাত্র পেটানোর বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিক্ষককে ঘেরাও করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ছাত্রকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শিক্ষক এমরানকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

শনিবার বিকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে আসাদুল্লাহ আল গালিবকে পাওয়া যায়। তার বাম পায়ে ও বাম ঊরুতে বেতের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।

আসাদুল্লার ভাষ্য, সে আসরের নামাজের সময় একবার শৌচাগারে গিয়েছিল। আবার এশার নামাজের সময় শৌচাগারে যেতে চাইলে ছোট হুজুর নাজমুল হক বিষয়টি বড় হুজুর এমরান হোসেনের কাছে অভিযোগ করেন। এমরান হোসেন এসে তাকে বেত দিয়ে পেটাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে লাথি মেরে ফেলে দেন।

ওসি মাহামুদুর রহমান বলেন, আহত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে মামলা হলে তাকে আসামি হিসেবে সেই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কেএইচ