আজ শুক্রবার ভোরের দিকে দুই জেলায় দুই জন নিহত হয়। একজন নারায়ণগঞ্জ জেলা আরেকজন কুষ্টিয়া জেলায়।
দু'জনই পুলিশের গ্রেফতারকৃত আসামি। দু'জনকে নিয়েই পুলিশ রাস্তায় বের হয় অভিযানে। আর দু'জনই বন্দুকযুদ্ধে নিহত।
নিহত ব্যাক্তিদের একজন নারায়ণগঞ্জের মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন। পুলিশের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে সদর ও ফতুল্লা থানায় দুই ডজনের অধিক মামলা রয়েছে।
আরেকজন কুষ্টিয়া সদর থানার নূরপুর গ্রামের মো: শাহীন। সে একই জেলার কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর স্কুলপাড়া গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি।
দুইটি অভিযানেই পুলিশ স্বশরীরে অক্ষত অবস্থায় ফিরে এলেও ফিরে আসতে পারে তাদের জিম্মায় থাকা গ্রেফতারকৃত আসামিরা।
নারায়নগঞ্জে বন্দুক শাহীনের ক্ষেত্রে পুলিশের অভিযোগ নব্বইয়ের দশকে কাটা রাইফেলসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর থেকে সে ‘বন্দুক শাহীন’ নামে পরিচিত হয়।
তার দেয়া তথ্যমতে আস্তানায় অভিযান চালাতে যায় পুলিশ। হঠাৎ করে বন্দুক শাহীনের সহযোগীরা পুলিশের গুলি ছোড়া শুরু করে। পুলিশও তার পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে শাহীনের গাঁয়ে গুলি লাগে এবং সে নিহত হয়। কিন্তু পুলিশরা নিরাপদে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।
ঠিক একই পদ্ধতি কুষ্টিয়ায় প্রবাসী হত্যা মামলার আসামী শাহীনকে নিয়ে বাকী আসামীদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ। হঠাৎ আক্রমণ শুরু হয়। পুলিশ আক্রমণের জবাব দিতে শুরু করে। এক পুলিশের হাতে থাকা শাহীনের গাঁয়ে গুলি লাগে এবং সে নিহত হয়। এক্ষেত্রে আগের গল্প থেকে একটু ভিন্ন আছে। এখানে পুলিশও হালকা আহত হয়।
বাংলাদেশে সম্প্রতি ভয়ানক আকারে পরিলক্ষিত বিষয় হচ্ছে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত। যা জনমনে ক্রমান্বয়ে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনমনে এখন প্রশ্ন, পুলিশ বেঁচে ফিরে কিন্তু পুলিশের জিম্মায় থাকা আসামি কেন ফিরে না?
জেড





