চীনা নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজের একটি বহর ৪দিনের শুভেচ্ছা সফরে এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত মঙ্গলবার (২৩ মে) এই বহর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সেখানে চীনের প্রবাসী নাগরিকরা নৌবহরকে উষ্ণ সম্বর্ধনা জানায়।
চীনা নৌবহর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুভেচ্ছা সফরের যে কর্মসূচি ঘোষণা করে তার পঞ্চম ধাপে বাংলাদেশ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই বহরে রয়েছে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার চাংচুন ও গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট ঝিংজু। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি কর্ভেটি চীনা নৌবহরকে পথ দেখিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের ‘চিফ অব স্টাফ’ ক্যাপ্টেন জামান, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিংকুইং ও ডিফেন্স এ্যটাশে ঝাং ওয়েই ছাড়াও চীনা অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বাংলাদেশে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থী ও প্রবাসী চীনা নাগরিকরা বন্দরে চীনা নৌবহরকে অভ্যর্থনা জানান।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এক জমকালো অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সফররত চীনা নৌবহরের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল শেন হাও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দেয়া ‘গার্ড অব অনার’ পরিদর্শন করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শেন বলেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনা নৌবাহিনীর মধ্যে বিরাজমান গভীর বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে। দু’দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন পেশাগত কর্মসূচি বিনিময় ও একটি যৌথ নৌ মহড়া আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্দর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি ছাড়াও বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি অবস্থিত।
সফরকালে রিয়ার এডমিরাল শেন হাও বাংলাদেশ নেভি ফ্লিটের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল এ আশরাফুল হক, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল এম আবু আশরাফ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে কথা রয়েছে।
চীনা নৌবাহিনী ডেস্ট্রয়ার চাংচুন-এ একটি ডেক রিসিপশনের আয়োজন করছে। এতে বাংলাদেশ নৌবাহনীর কর্মকর্তা, প্রতিনিধি ও অন্যরা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য ও প্রবাসী চীনা নাগরিকদের পরিদর্শনের জন্য চীনের যুদ্ধজাহাজ দু’টি উন্মুক্ত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।(southasianmonitor)
এমবি





