বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জামাইয়ের কোপে নিহত হয়েছেন শ্বশুর হামেদ দরানী (৬০)।
এ ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে,ঘটনার দিন বুধবার সন্ধায় উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন জামিরতলা নুরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার সামনে ওই মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী গুয়াতলা গ্রামের হামেদ দরানীকে তার মেয়ের তালাকপ্রাপ্তা জামাই আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপুর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় হামেদ দরানীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত ৮টার দিকে সে মারা যায়। থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তারক বিশ্বাস রাতেই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন এবং লাশের ময়না তদন্তের ব্যাবস্থা করেন। বাগেরহাট হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বাদ আসর লাশ নিহতের বাড়িতে পৌসলে সেখানে স্বজনদের মাঝে চলতে থাকে শোকের মাতম। দক্ষিন জামিরতলা নুরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার সামনে শত শত মানুষের অংশগ্রহনে জানাজা শেষে এ দিন সন্ধায় নিহত হামেদ দরানীর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
জানা গেছে, উক্ত হামেদ দরানী তার মেয়ে সারমীনকে বিয়ে দেন একই এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে আবুল হোসেন হাওলাদারের কাছে। মেয়ে সারমীনের সঙ্গে জামাতা আবুল হোসেনের বনিবনা না হওয়ায় গত ৫/৬ মাস পূর্বে সারমীন আবুল হোসেনকে তালাক প্রদান করে। এ তালাক প্রদানের জের ধরে জামাতা আবুল হোসেনের নেতৃতে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এ হত্যা কান্ডের ঘটনায় নিহত হামেদ দরনীর ছেলে লিটন দারনী(৩০) বাদী হয়ে জামাতা আবুল হোসেনসহ ৭ জনসহ আরও অজ্ঞাতনামাদেরকে আসামি করে এদিন দুপুরে থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
এমএম





