প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি, টাইম স্কেলও সিলেকশন গ্রেড বহাল, বেতন স্কেলের ১ধাপ নীচে সহকারি শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ সহ ৬ টি দাবি নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমিতি।
শুক্রবার দুপুরে এ মানববন্ধন করে তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হলে সামনে আরো কঠোর কর্মসূচি পালনেরও কথা বলেন।
শিক্ষক নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমরা একই সাথে কাজ করে সহকর্মী হিসেবে থাকতে চাই। বৈষম্য আর পরস্পরের মধ্যে ক্ষোভ নিয়ে থাকতে চাই না।
শিক্ষকদের দাবিকৃত দাবি গুলো হচ্ছে, সরকারি প্রথিমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের একধাপ নীচের বেতন স্কেল প্রদান করতে হবে(১২তম গ্রেড)।
সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে সহকারি শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে পদোন্নতি দিতে হবে।(০১/৭/১৯৭৩ ও ১৫/১১/১৯৮৬ সালেরআত্নীকরণ নীতিমালা অনুসারে)।
প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে ১০০%পদোন্নতি দিতে হবে। সহকারি শিক্ষকপদকে এন্টিপদ ধরে যোগ্যতা অনুসারে পরিচালক পর্যন্ত শূন্যপদে পদোন্নতি দিতে হবে।
যেহেতু প্রধান শিক্ষকও সহকারি শিক্ষকদের নিয়োগ বিধিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা একও অভিন্ন বিধায় উভয় পদ একই শ্রেণী ভুক্ত করতে হবে।
পে-স্কেলে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখতে হবে।
জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ জাতীয়করণকৃত সহকারি শিক্ষক দিয়ে পূরণ করা বন্ধ করতে হবে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার মণ্ডলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ খোশ নবিশ, সাধারণ সম্পাদক বিএম আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
এমএ/এসএইচ/এমকে





