ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুরসহ অন্যদের ছাত্রদের ওপর হামলা ও ডাকসু ভবন ভাঙচুরের ঘটনার গায়েব হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
আজ (২৫ ডিসেম্বর) বুধবার রাজধানীর বনানীতে শুভ বড়দিন উপলক্ষে হোলি স্পিরিট গির্জা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
হামলার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত চলছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভিপি নুরের করা মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তা ছাড়া মারমুখি হওয়া আর মারধরে অংশ নেয়া দুটি এক বিষয় নয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, বড়দিন উপলক্ষে রাজধানী জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো ধরণের নাশকতার সম্ভাবনা নেই।
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর (রোববার) ভিপি নুরুল হক নুরকে তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কক্ষে ঢুকে বাতি নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এদিনই সুহেলকে ডাকসু ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেয় নেতাকর্মীরা।
ভিপি নুরসহ আহতদের অভিযোগ- ছাত্রলীগ এই হামলায় সরাসরি অংশ নেয়। এসময় নুরের সঙ্গে থাকা ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দুজনকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে রোববার রাত পর্যন্ত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
রোববার হামলায় আহত ২৪ জন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়েছিলেন। এখন ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। অনেকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখন যারা হাসপাতালে ভর্তি আছেন তারা হলেন- ভিপি নুরুল হক, তুহিন ফারাবী, মেহেদী হাসান, আমিনুর ও নাজমুল ইসলাম।
এই হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনসহ ৩৭ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভিপি নুর। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৪০-৫০ জনকে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নুরের পক্ষে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন।
এমবি





