দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, গত আট মাসে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। তারপরও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে কারণেই আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়েই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রকট হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে এগিয়ে আসতে হবে। এ লক্ষ্যে বাড়ি এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, ব্যক্তি পর্যায়ে সৌর প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুতের উদ্বৃত্ত অংশ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা দরে কিনে নেবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দেন তিনি।

তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলে একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা সহজ হবে, অন্যদিকে কৃষি অর্থনীতির গতিও বজায় রাখা সম্ভব হবে।

মতবিনিময় সভায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নাটোর জেলায় একই ধরনের আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর।

এস